Breaking News
Below Header Banner Area
Above Article Banner Area

কলকাতায় বাংলাদেশে উপ-হাইকমিশনে সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।

বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের ‘বাংলাদেশে গ্যালারি’-তে উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে এ ঐতিহাসিক দিবসের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,দৈনিক সংবাদ পত্রিকার যুদ্ধকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী বিশিষ্ট সাংবাদিক বি চৌধুরী এবং ভিডিও বার্তার মাধ্যমে স্মৃতিচারণ করেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী সম্মানপ্রাপ্ত ও বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা।
বিতচ চৌধুরী তার আলোচনায় বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলেছে তাঁর আদেশের ওপর ভিত্তি করে। বিকচ চৌধুরী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের বাঙালি জাতিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন সে মোতাবেকই মুক্তিযুদ্ধ চলেছিল এবং বাঙালি পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্তি পেয়েছে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রাপ্ত ও বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কলকাতাবাসীর আগ্রহ ছিল প্রবল। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় কলকাতা বিমানবন্দরে বিপুল জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছিল বঙ্গবন্ধুকে একনজর দেখার জন্য।কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বার্তা পাঠান তিনি তার দেশের মাটিতে পা রাখবেন প্রথম এবং অতিসত্বর তিনি কলকাতায় আসবেন। বঙ্গবন্ধু সখ কথা রেখেছিল। ১৯৭২ সালের ০৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে (গড়ের মাঠে) বিশাল জনসমুদ্রে আবেগঘন বক্তব্য প্রদান করেছিলেন। তার দশ লক্ষাধিক মানুষ আবেগভরে শুনেছেন।
এরপর কবিতাপাঠের অনুষ্ঠান শুরু হলো কবিতা আবৃত্তি করে, কলকাতার বিশিষ্ট আবৃত্তিকার শব্দে এবং রজত বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী শতাবদিরায় চমৎকার সংগীত পরিবেশন করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

Below Article Banner Area

About Desk

Check Also

বহরমপুরের নির্বাচনী জনসভায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার প্রস্তুতি বহরমপুরে। আগামী ২৩ শে এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হবে বহরমপুর স্টেডিয়াম ময়দানে। …

Bottom Banner Area